লালন শাহ ফাউন্ডেশন ইউকের আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা
বিজ্ঞপ্তি : যুক্তরাজ্যে দক্ষিণ এশীয় বিশেষ করে বাংলাদেশিদের মাঝে লালন শাহের গান, দর্শন ও জীবনবোধ ছড়িয়ে দিতে গত কয়েক বছর...
Read moreবিজ্ঞপ্তি : যুক্তরাজ্যে দক্ষিণ এশীয় বিশেষ করে বাংলাদেশিদের মাঝে লালন শাহের গান, দর্শন ও জীবনবোধ ছড়িয়ে দিতে গত কয়েক বছর...
Read moreবিজ্ঞপ্তি: শুক্রবার ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ...
Read moreব্রিকলেন নিউজ- জাতীয় শোক দিবসে ১৫ আগস্ট শুক্রবার বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন লন্ডনের সাংবাদিকবৃন্দ। বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রবীন সাংবাদিক ও সত্যবাণীর উপদেষ্টা...
Read moreবিশেষ প্রতিনিধি: সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। নিউইয়র্কে ২৪ ও ২৫ মে অনুষ্ঠিত হচ্ছে 'বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা'। আমেরিকার বিভিন্ন স্টেট থেকে ইতোমধ্যে...
Read moreব্রিকলেন নিউজ: অমর একুশের গান “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমিকি ভুলিতে পারি” এর রচয়িতা, কিংবদন্তি সাংবাদিক কলামিষ্ট, “আব্দুল গাফফার চৌধুরী”-র তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকীতে পূর্বলন্ডনের ব্রিকলেন জামে মসজিদে ১৯মে ২০২৫ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।আব্দুল গাফফার চৌধুরীর রেখে যাওয়া শোকাহত চার সন্তান অনুপম রেজা চৌধুরী, তানিমা চৌধুরী, চিন্ময়ী চৌধুরী ও ইন্দিরা চৌধুরী পিতার মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর অনুরাগীদের সাথে নিয়ে এই স্মরণ সভার আয়জন করেন।লন্ডন সময় বাদ মাগরিব ব্রিকলেন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নজরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই মাহফিলে কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব,রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, কাউন্সিলার সহ বিপুল সংখ্যক ব্রিটিশ বাঙালি অংশ নেন। এই মাহফিলে বিশিষ্টজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ারএ্যাসোসিয়েশন ও ব্রিকলেন মসজিদের প্রাক্তন সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, রাজনীতিবিদ সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, আ.স.ম. মিসবাহ সাদাত, আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আনসার আহমেদ উল্লাহ, কমিউনিটি সংগঠক জামাল খান, শাহ বেলাল, সায়েদ আহমেদ সাদ, মোহাম্মদ মিরন, আহবাব আহমদ, মাহমুদ আলী, সৈয়দ গোলাব আলী, আব্দুল বাছির, ফজলে রাব্বি স্বরণ সহ আরো অনেকে। শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন বাঙালির মনে যতো দিন “একুশ” থাকবে, বাঙালির সংস্কৃতি যতদিন পৃথিবীর বুকে থাকবে, ততো দিন “আব্দুলগাফফার চৌধুরী” কে চাইলেও ভুলতে পারবে না। আমরা চাই তিনি আমাদের অন্তরে বেচেঁ থাকুক হাজার বছর। সব শেষে তার সন্তানরা তাদের বাবার জন্য সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করে। এর পরে মসজিদের খতিব মাওলানা নজরুল ইসলাম এর পরিচালনায় দোয়া মাহফিল ও তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে মহান শ্রষ্টার দরবারে বিশেষ দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। অমর একুশের গান “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমিকি ভুলিতে পারি” এর রচয়িতা, কিংবদন্তি সাংবাদিক কলামিষ্ট, “আব্দুল গাফফার চৌধুরী”-র তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকীতে পূর্বলন্ডনের ব্রিকলেন জামে মসজিদে ১৯মে ২০২৫ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।আব্দুল গাফফার চৌধুরীর রেখে যাওয়া শোকাহত চার সন্তান অনুপম রেজা চৌধুরী, তানিমা চৌধুরী, চিন্ময়ী চৌধুরী ও ইন্দিরা চৌধুরী পিতার মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর অনুরাগীদের সাথে নিয়ে এই স্মরণ সভার আয়জন করেন।লন্ডন সময় বাদ মাগরিব ব্রিকলেন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নজরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই মাহফিলে কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব,রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, কাউন্সিলার সহ বিপুল সংখ্যক ব্রিটিশ বাঙালি অংশ নেন। এই মাহফিলে বিশিষ্টজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ারএ্যাসোসিয়েশন ও ব্রিকলেন মসজিদের প্রাক্তন সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, রাজনীতিবিদ সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, আ.স.ম. মিসবাহ সাদাত, আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আনসার আহমেদ উল্লাহ, কমিউনিটি সংগঠক জামাল খান, শাহ বেলাল, সায়েদ আহমেদ সাদ, মোহাম্মদ মিরন, আহবাব আহমদ, মাহমুদ আলী, সৈয়দ গোলাব আলী, আব্দুল বাছির, ফজলে রাব্বি স্বরণ সহ আরো অনেকে। শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন বাঙালির মনে যতো দিন “একুশ” থাকবে, বাঙালির সংস্কৃতি যতদিন পৃথিবীর বুকে থাকবে, ততো দিন “আব্দুলগাফফার চৌধুরী” কে চাইলেও ভুলতে পারবে না। আমরা চাই তিনি আমাদের অন্তরে বেচেঁ থাকুক হাজার বছর। সব শেষে তার সন্তানরা তাদের বাবার জন্য সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করে। এর পরে মসজিদের খতিব মাওলানা নজরুল ইসলাম এর পরিচালনায় দোয়া মাহফিল ও তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে মহান শ্রষ্টার দরবারে বিশেষ দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
Read moreপর্যটন ভিসার অপব্যবহার এবং বিদেশে গিয়ে আর ফিরে না আসার ক্রমবর্ধমান প্রবণতার কারণে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রদানে একের পর এক দেশ...
Read moreপ্রেস বিজ্ঞপ্তি: ১৭ মে, শুক্রবার লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে ১৬ মে বাংলাদেশেঅনুষ্ঠিত নারীর ডাকে মৈত্রী যাত্রার সাথে সংহতি জানিয়ে যুক্তরাজ্যেরবাংলাদেশি ওয়ার্কার্স কাউন্সিলের উদ্যোগে 'লন্ডন সংহতি' নামে একসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স কাউন্সিলের সভাপতি হারুন রশিদেরসভাপতিত্বে ও শাহানা আখতারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ সমাবেশেবিপুলসংখ্যক নারী–পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশের ঘোষণায় বলা হয়, বাংলাদেশে জুলাই ছাত্র-জনতারআন্দোলন ছিলো সকল ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে| কিন্তু অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে নারীর প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতিনারী কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশের পর কতিপয় ধর্মান্ধ গোষ্ঠীপ্রতিবেদন বাতিলের দাবি জানাতে গিয়ে নারীদের বিরুদ্ধে যেঅবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছে, সমাবেশে তার তীব্র নিন্দা জানানোহয়। সমাবেশে সকল ক্ষেত্রে নারীর সম-অধিকারের দাবি জানিয়ে বলা হয়, নারী-পুরুষের সমান অধিকার বা সমতাই হলো প্রকৃত সুবিচার ওসুশাসন। সমান উত্তরাধিকারই ন্যায়সঙ্গত এবং কন্যাদের সমানপ্রাপ্য। পারিবারিক উত্তরাধিকার আইনগুলি বৈষম্যমূলক। আগামীদিনের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে লৈঙ্গিক, জাতিগত, ধর্মীয়ও শ্রেণিসহ সকল ধরনের বৈষম্য অগ্রহণযোগ্য। নারীদের সমান কাজে পুরুষদের সমান মজুরি দাবি করে সমাবেশথেকে বিদ্যমান বৈষম্যমূলক পুরুষতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং নারীর প্রতিসহিংসতার বিরুদ্ধে নারী-পুরুষকে সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়ানোরআহ্বান জানানো হয় এবং বলা হয়, নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ক্ষেত্রেনীরবতা কেবল বাংলাদেশের সামাজিক জীবনে নৈরাজ্য ওঅপরাধপ্রবণতাকেই সাহায্য করবে। নারীর বিরুদ্ধে অবমাননাকর বক্তব্যদানকারীদের বিরুদ্ধে সরকারকেআইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে সমাবেশে বলা হয়, নারীরনিজের পছন্দমতো পোশাক পরিধানের স্বাধীনতা থাকতে হবে।পোশাক নিয়ে জোর-জুলুম নিকৃষ্ট ফ্যাসিবাদেরই বহিঃপ্রকাশ। নারীরপোশাককে আক্রান্ত নারীর বিরুদ্ধে অপরাধের পক্ষে যুক্তি হিসেবেব্যবহার বন্ধ করতে হবে। সমাবেশ থেকে নারী কমিশন প্রতিবেদন নিয়ে আলাপ-আলোচনাঅব্যাহত রাখা এবং বৈষম্যহীন, সমতাভিত্তিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সবাইকে সামিল থাকার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, জনগণের অর্ধেক—নারীদের প্রতি বৈষম্য নিরসন করেই কেবলগণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। সংহতি সভায় বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কার্স কাউন্সিলের সেলিনা সাফি, রহিমা খাতুন জুলি, ড. আয়েশা সিদ্দিকা, সুলতানা রশিদ জলি, শেফালি বেগম শেফা, টাওয়ার হ্যামলেটস লেবার পার্টি গ্রুপের প্রধানকাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম, সোস্যালিস্ট পার্টি অব ইংল্যান্ডের হুগোপিয়েরে, নিজর মানুষের আজফার শাফি, ভারতের স্টুডেন্টফেডারেশনের (এসএফআই) যুক্তরাজ্য শাখার অঙ্কিতা সরকার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নিসার আহমেদ ও আবেদ আলী; বাসদ (মার্কসবাদী) নেতা মোস্তফা ফারুক, বাংলাদেশ জাসদ-এরশামীম আহমেদ, বাসদের হুমাযূন খান; ওয়ার্কার্স কাউন্সিলেরসাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার বিন আলী, ড. আখতার সোবহানমাসরুর; উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী ও সত্যেন সেন স্কুল অব পারফর্মিংআর্টসের শেখ নুরুল ইসলাম ও গোপাল দাস; এআর টিভিররিপোর্টার জয়দ্বীপ রায় প্রমুখ। সংহতি সমাবেশের শুরুতেই জাতীয় সংগীত ও গণসংগীত পরিবেশনকরেন উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী ও সত্যেন সেন স্কুল অব পারফর্মিং আর্টস।
Read moreপ্রতিবাদে অভিবাসী বিশিষ্টজনদের বিবৃতি নিউইয়র্ক : - বর্তমান দখলদার ইউনুস সরকারের নগ্ন সমর্থক নিউইয়র্কের একটি বইমেলার আয়োজক মুক্তধারা...
Read moreসুখ দুঃখের স্মৃতি রোমন্থনে ,মিলিত হয়েছিলেন প্রাণের টানে ইফতেখারুল হক পপলু বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, তাঁতিপাড়া, হাওয়াপাড়া, সুবিদবাজার, সাগরদিঘির পাড়,...
Read moreপ্রেরিত বার্তা: যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেকশিক্ষার্থীদের সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ইউকে উদযাপন করলো সংগঠনেরপাঁচ বছর পূর্তি ও সম্মাননা প্রদান...
Read more