Brick Lane News

জাতিসংঘে গবেষণা ও তথ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের আহ্বান বাংলাদেশের

জাতিসংঘে গবেষণা ও তথ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের আহ্বান বাংলাদেশের

জাতিসংঘের সিপিডি অধিবেশনে গবেষণা ও তথ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে তরুণ জনগোষ্ঠীতে বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনকে টেকসই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত জনসংখ্যা ও উন্নয়ন কমিশনের (সিপিডি) ৫৯তম অধিবেশনে গবেষণা ও তথ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও সক্ষমতা উন্নয়ন এবং বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান ডিজিটাল বিভাজন হ্রাসে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। একইসঙ্গে তিনি উদীয়মান প্রযুক্তির নৈতিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করতে শক্তিশালী তথ্য-গোপনীয়তা সুরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও আন্তর্জাতিক জনসংখ্যা ও উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং গবেষণার অপরিহার্য ভূমিকার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্বে এখনও প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠী ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিক সুযোগে গভীর বৈষম্য সৃষ্টি করছে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পথে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করছে।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, টিকাদান কর্মসূচির সম্প্রসারণ, কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। পাশাপাশি তিনি টেলিমেডিসিন, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা এবং রিয়েলটাইম রোগ নজরদারির মতো প্রযুক্তিনির্ভর সেবায় দেশটির সম্প্রসারণের বিষয়টিও তুলে ধরেন।

তরুণ জনগোষ্ঠীতে বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনকে টেকসই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি। তিনি বলেন, নগরায়ণ, জলবায়ু পরিবর্তন ও অসংক্রামক রোগের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে।