ভারতের আসামে চলমান বন্যার প্রভাবে বরাক নদী হয়ে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত দুই দিন ধরে নদী দুটির পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করার পর আজ কয়েকটি পয়েন্টে সামান্য সময়ের জন্য বিপৎসীমা অতিক্রম করে। তবে এতে সিলেটে বন্যার কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ৩৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। কুশিয়ারা নদীর অমলশিদ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। অপরদিকে সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ০ দশমিক ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট কার্যালয়ের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি ছিল ১২.৭৬ সেন্টিমিটার। এই পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১২.৭৫ সেন্টিমিটার। সুরমা নদীর সিলেট পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১২.৭৫ সেন্টিমিটার। আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পানি ছিল ১০.১০ সেন্টিমিটার।
একই সময়ে কুশিয়ারা নদীর অমলশিদ পয়েন্টে পানি ছিল ১৫.৪০ সেন্টিমিটার। এই পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১৫.৪০ সেন্টিমিটার। শেওলা পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা থাকে ১৩.০৫ সেন্টিমিটার। আজ সন্ধ্যা ৬টায় পানি ছিল ১২.৭৮ সেন্টিমিটার। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা থাকে ৯.৪৫ সেন্টিমিটার। সন্ধ্যা ৬টায় পানি ছিল ৯.৮৪ সেন্টিমিটার। শেরপুর পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা থাকে ৮.৫৫ সেন্টিমিটার। সন্ধ্যা ৬টায় পানি ছিল ৮.১২ সেন্টিমিটার।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, ‘ভারতের আসামে বন্যা হওয়ার কারণে সিলেটের ওপর দিয়ে পানি বয়ে যাচ্ছে। আসামের চলমান বন্যার পানি বরাক নদী দিয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নদী হয়ে নামছে। এটা বেশিক্ষণ স্থায়ী থাকবে না। দ্রুত নেমে যাবে। ’