Skip to main content

Brick Lane News

জার্মান আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন: দোয়া, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

জার্মান আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন: দোয়া, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

জার্মানির শিল্পনগরী ডুইসবুর্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা এবং শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জার্মান আওয়ামী লীগের আয়োজনে স্থানীয় একটি মিলনায়তনে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল। জার্মান আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেরজাহান আহমেদ রাজীবের সঞ্চালনা ও সার্বিক পরিচালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক উপমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি একেএম এনামুল হক শামীম। তিনি তাঁর বক্তব্যে দলের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাস, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। একই সাথে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন জার্মান আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নূরজাহান খান নূরী।

German Awamileague festive জার্মান আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন: দোয়া, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা
শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জার্মান আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ও বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সুরুজ আলী এবং সর্ব-ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্বাস আলী চৌধুরী। বক্তারা প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

German Awamileague জার্মান আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন: দোয়া, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা
শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন: দোয়া, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

আলোচনা পর্বের পাশাপাশি শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালিত হয়। সভার দ্বিতীয় পর্বে প্রবাসী শিশু-কিশোরদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে আবৃত্তি, গান ও দলীয় পরিবেশনার মাধ্যমে আবহমান বাংলার সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি শেষ হয়।