কারাভ্যন্তরে নূরুল ইসলামের হ/ত্যা/কা/ণ্ডে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শোক ও প্রতিবাদকারাভ্যন্তরে নূরুল ইসলামের হ/ত্যা/কা/ণ্ডে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শোক ও প্রতিবাদ
আজ ৩ সেপ্টেম্বর এক শোবার্তায় শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, ‘চট্টগ্রামের মিরসরাই পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলামকে গতকাল চট্টগ্রাম জেন্দ্রীয় কারাগারে নি/র্যা/ত/ন করে হ/ত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
গত ৩০ জুলাই নূরুল ইসলামকে সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে গ্রেফতার করে ৩১ জুলাই কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি কোন মামলার আসামী ছিলেন না। গ্রেফতারের পরে মিথ্যা মামলায় নাম অন্তর্ভুক্ত করে অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়। গত ৩১ আগস্ট তিনি মিথ্যা মামলা থেকে জামিনপ্রাপ্ত হলেও আরেকটি মিথ্যা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট করে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।
গতকাল যখন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে বিনাচিকিৎসায় নূরুল ইসলাম মারা যায়, তখন তার নামে কোন কার্যকর মামলা ও আটকাদেশ ছিল না। এরপরেও আইনশৃঙ্খলার পোশাকে সরকারের পেটোয়া বাহিনীর নির্মম নির্যাতন থেকে রেহাই মিলেনি। এভাবেই ৫ আগস্টের পর থেকে নূরুল ইসলামের মতো অসংখ্য মানুষকে কারাগারে হত্যা করা হচ্ছে, যারমধ্যে এখন অব্দি শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের অন্তত ৬৫জন নেতাকে কারাগারে হত্যা করা হয়েছে।
৫৫ বছর বয়সী নূরুল ইসলাম স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যা সহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। এই হত্যাকাণ্ডে শোক জানানোর ভাষা নেই, তবুও আমি গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার গভীর সহানুভূতি জানাচ্ছি।
আমি বিশ্বাস করি, নূরুল ইসলামের এই আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না। পৃথিবীর কোথাও কোন অন্যায় বিনাবিচারে নিঃশেষ হয় না। একদিন নূরুল ইসলামের মতো অগণিত শহীদের হত্যার সঠিক বিচার নিশ্চয়ই বাংলার মাটিতে হবে। ইনশাল্লাহ।
আমি শহীদ নূরুল ইসলামের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’