ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তোলা শোক প্রস্তাবে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর তিন নেতার নাম যুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) অধিবেশনের প্রথম দিন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর সংক্ষিপ্ত বিরতি শেষে রেওয়াজ অনুযায়ী শোকপ্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। পরে দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী অধিবেশনে নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
শোকপ্রস্তাব উত্থাপনের পর সরকারদলীয় চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর নাম যুক্ত করার জন্য স্পিকারকে অনুরোধ করেন। পরে স্পিকার তা অনুমোদন করেন।
এ সময় স্পিকার বিএনপির সাবেক এমপি ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর নামও যুক্ত করে নেন। সংসদে আলোচনা শেষে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়।
২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মন্ত্রী ছিলেন নিজামী ও মুজাহিদ। আর সাঈদী ছিলেন সংসদ সদস্য।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, জামায়াত নেতা নিজামী ও মুজাহিদকে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয় এবং জামায়াত নেতা সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। পরে তিনি কারাগারে মারা যান।
এদিন জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ দেশি-বিদেশি ৩১ বিশিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে।





