ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার চলমান যুদ্ধের ফলে মার্কিন স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে মধ্যপ্রাচ্য সফর শুরু করেছেন মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি। এই সফরে তিনি সংঘাত নিরসনে তৎপর সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গেও আলোচনা করবেন। যুদ্ধের সূত্রপাতের পর মধ্যপ্রাচ্যে সফররত প্রথম ডেমোক্র্যাট সিনেটর হিসেবে মারফি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সফরের অংশ হিসেবে মারফি প্রথমেই কাতারে পৌঁছেছেন এবং এরপর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সফর করবেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন। তিনি সফরের তিনটি মূল লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো মার্কিন স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতি সরাসরি পরিদর্শন করা। তার মতে, চলমান এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের উভয় দলের সিনেটরদের স্বশরীরে সেখানে উপস্থিত থাকা জরুরি। তিনি বলেন, যুদ্ধ যখন তীব্রভাবে চলছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রের দুই দলের সিনেট সদস্যদের মধ্যপ্রাচ্যে উপস্থিত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সংঘাত বন্ধে কাজ করা ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করাও তার সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
পাশাপাশি কাতার ও সৌদি আরবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করবেন এই সিনেটর। সংঘাত বন্ধে বর্তমানে যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে, সে সম্পর্কেও তিনি অবগত হবেন। এছাড়া, পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নীতি কেমন হওয়া উচিত, তা পুনর্বিবেচনার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন ক্রিস মারফি।