ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে একটি ন্যায্য ও সম্মানজনক সমাধানে পৌঁছাতে তার দেশ পূর্ণ আন্তরিক। বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করেন যে, তেহরান যুদ্ধের পরিবর্তে আলোচনার পথে হাঁটতে আগ্রহী। তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
তবে আলোচনার প্রস্তুতির পাশাপাশি আত্মরক্ষার বিষয়েও তেহরান আপসহীন অবস্থানে রয়েছে। আরাগচি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ইরান যেমন কূটনীতিতে আগ্রহী, তেমনি যেকোনো সামরিক আগ্রাসন মোকাবিলায় তারা পূর্ণ প্রস্তুত। দেশটির ওপর কোনো ধরনের আক্রমণ চালানো হলে এর জবাবে আরো বিধ্বংসী প্রতিক্রিয়া দেখানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
ইরানের এই দ্বিমুখী বার্তার বিষয়টি নতুন নয়। এর আগে দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফও একই সুরে কথা বলেছেন। মূলত হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার লক্ষ্যে তেহরানের প্রস্তাবিত সাত দিনের রোডম্যাপের প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্যগুলো এসেছে। সব মিলিয়ে, ইরান এখন কূটনৈতিক সমঝোতার পাশাপাশি নিজস্ব সুরক্ষায় সামরিক শক্তি প্রদর্শনের বার্তাও বজায় রেখেছে।