পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি (৬৫) ও নাতনি (১৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় রহস্য উদ্ঘাটনে জেলা পুলিশের একাধিক দল মাঠে নেমেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দাদির লাশ বাড়ির উঠান থেকে এবং নাতনির লাশ পাশের শর্ষেখেত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত কিশোরী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পুলিশের ধারণা, কিশোরীকে অপহরণ বা উত্ত্যক্তের চেষ্টা চলার সময় দাদি বাধা দেওয়ায় প্রথমে তাকে হত্যা করা হয়, পরে নাতনিকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হতে পারে।
স্থানীয়রা জানায়, মেয়েটির মা–বাবা আলাদা থাকায় কিশোরী দাদির সঙ্গে থাকতেন। বাবা ঢাকায় কাজের তাগিদে থাকায় বাড়িতে শুধু দাদি ও নাতনি ছিলেন। শুক্রবার রাতে বাড়ি থেকে অস্বাভাবিক কান্নার শব্দ শুনে কয়েকজন প্রতিবেশী কিছুক্ষণ বাইরে দেখেও ফিরে যান।
শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা বাড়ির উঠানে দাদির রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান। পরে পাশের ফসলের মাঠে কিশোরীর লাশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মমিনুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ বলেন, “আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি এবং আশা করছি খুব দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।”





