দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের ছোট চণ্ডীপুর কালীরহাট এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে পার্বতীপুরের আমবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন। নিহতরা হলেন—রিপেন চন্দ্র রায়ের স্ত্রী ছবি রানী (৪০) এবং তাঁদের মেয়ে পল্লবী রানী (১৫)।
পারিবারিক কলহের অভিযোগ স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে পরিবারের অমতে পার্শ্ববর্তী ফুলবাড়ী উপজেলায় বিয়ে করেন কিশোরী পল্লবী। অভিযোগ রয়েছে, এই বিয়েকে কেন্দ্র করে পরিবারটিতে বেশ কিছুদিন ধরে অশান্তি চলছিল। ঘটনার দিনও পারিবারিক এসব বিষয় নিয়ে রিপেন চন্দ্র রায়ের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের বাগ্বিতণ্ডা হয় এবং একপর্যায়ে সেখানে হাতাহাতি বা মারধরের ঘটনাও ঘটে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।
মরদেহ উদ্ধার ও প্রাথমিক তদন্ত বাগ্বিতণ্ডার কিছু সময় পর বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে ঘরের ভেতর মা ও মেয়ের নিথর দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইয়াকিন আলী জানান, রিপেন চন্দ্র রায়ের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে যান এবং ঘরের ভেতর তাদের দেখতে পান। পরবর্তীতে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
এটি নিছকই আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আমবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় পুলিশের আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’