Brick Lane News

মতামত

যে বলেছে একবার জয় বাংলা,তার নামেই দাও মামলা

কলমে- টিম বাংলাদেশ : নাগরিক ক্ষোভ বলি,আর বিদেশী শক্তির মদদে চলা অরাজকতা বলি-বাংলাদেশে ২০২৪ এর জুলাই এর ৭ তারিখ থেকে...

Read more

সরকারী নিরাপত্তায় বিক্ষুব্ধ জনতা আসলে কারা ?

কবির য়াহমদ - বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আবুল হোসেন মোহাম্মদ শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক সিলেটের একটা সীমান্তে গতরাতে...

Read more

বৈষম্যহীন !বাংলাদেশে প্রথম বৈষম্যের শিকার বঙ্গবন্ধু

জুয়েল রাজ – বঙ্গবন্ধু এক মহাকাব্যের অমর নাম। আর সেই মহাকাব্য জুড়ে বিস্তৃত ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এই বাংলাদেশ। তাই যতদিন...

Read more

এই মেধাবীরাই গড়বে স্মার্ট বাংলাদেশ !

জুয়েল রাজ- পহেলা জুলাই থেকে চলছে কোটা  বিরোধী অবরোধ , বলাযায় সারা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে এই আন্দোলন । ২০১৮সালে কোটা পদ্ধতি বাতিল করার আগ পর্যন্ত সরকারিচাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্যসংরক্ষণ করা হতো। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্যছিল ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্রনৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ কোটা। এই  কোটাসংস্কার করে ১০ শতাংশ করার দাবিতে২০১৮ সালেআন্দোলনে নামে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকারসংরক্ষণ পরিষদ। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, "ছাত্ররাকোটা ব্যবস্থা চায় না। তারা আন্দোলন করেছে। ফলে কোটাব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে আর আলোচনাকরার বা হা-হুতাশ করার কিছু নেই। আমি বলে দিয়েছিথাকবে না।” সেই থাকবে নাকি কীভাবে কার্যকর করা যায়, সেজন্যক্যাবিনেট সেক্রেটারিকে দিয়ে একটি কমিটি করে দেয়া হয়েছে, যাতে এটা বাস্তবায়ন করা যায়। এরপর ওই বছরের ৪অক্টোবর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে কোটা ব্যবস্থা পুরোপুরিবাতিল করে দেয় সরকার। তবে ২০২১ সালে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টেরিট করলে গত ৫ জুন এক রায়ের মাধ্যমে আবারও ফিরেআসে কোটা। এরপর কোটা বাতিলে গত ১ জুলাইআন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। কোটা নিয়ে আন্দোলনেবারবার আলোচনায় আসে মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিষয়টি। এই৩০ শতাংশ কোটা নিয়েই মূলত যত মাথাব্যাথা বা  সমস্যা।মুক্তিযোদ্ধা  কোটা নিয়ে নানা প্রসঙ্গ , দ্বিমত , আলোচনাআছে । মুক্তিযোদ্ধা কোটা ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু চালুকরেছিলেন। পরে নানা সময় এর কলেবর বা সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি পেয়েছে। মুক্তিযোদ্ধারা যারা   ৭১র মহান মুক্তিযুদ্ধেঅংশ নিয়েছিলেন তাঁরা কি কোটার জন্য কিংবা ভাতার জন্যঅথবা রাষ্ট্রীয় সুবিধা ভোগের জন্য  যুদ্ধে গিয়েছিলেন? নিশ্চয় নয়। তাঁরা জানতেনই না দেশ কবে স্বাধীন হবে,স্বাধীনদেশে আদৌ ফিরতে পারবেন কী না, অথবা  জীবিত থাকবেননা কখন শহীদ হবেন তার কিছুই তাঁদের জানা ছিল না।শুধুমাত্র একটি  মুক্ত স্বাধীন দেশের জন্য তাঁরা জীবন বাজীরেখেছিলেন। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশ সেই ঋণমুক্তির দায় থেকেই , আমার মত এবং ধারণা মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের সন্তানদের জন্যএই কোটা পদ্ধতি  চালু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা শহুরে জীবনে অভ্যস্থ , প্রাইভেটবিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা অর্জন করা শিক্ষার্থীরা জানেন না । প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটা ছেলে মেধা দিয়েই লিখিত পরীক্ষায়পাশ করে যদি মুক্তিযোদ্ধা পোষ্য কোটায় একটা চাকরি পায়তাতে আপনাদের মেনে নিতে সমস্যা কোথায় ? আমরা যারাপ্রত্যন্ত এলাকা থেকে উঠে এসেছি দেখেছি দরিদ্র মুক্তিযুদ্ধাদের,তাঁদের সন্তানদের কি অমানবিক পরিশ্রম করে পড়ালেখাকরিয়েছেন ,...

Read more

মুঈনুদ্দিনের পক্ষে ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্টের রায়: আমাদের করণীয়

শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকঃ   মুঈনুদ্দিনের মানহানি বিচার প্রক্রিয়ায় ভুক্তভোগী শহীদ পরিবারের সদস্যদের পক্ষ হওয়া উচিত। অবশ্য সরকারের পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা ছাড়া...

Read more
Page 6 of 12 1 5 6 7 12

সর্বশেষ খবর