Skip to main content

Brick Lane News

সৌদি আরবে সেনা পাঠাবে তুরস্ক-পাকিস্তান: মক্কা প্রতিরক্ষা জোট

সৌদি আরবে সেনা পাঠাবে তুরস্ক-পাকিস্তান: মক্কা প্রতিরক্ষা জোট

সৌদি আরবের ভূখণ্ড ও পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জোটবদ্ধ হয়ে মাঠে নামছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। সোমবার সৌদি রাজধানী রিয়াদে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের কৌশলগত-রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলাসহ বিভিন্ন হুমকি মোকাবিলায় যৌথ প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে তুরস্ক ও পাকিস্তান দ্রুত তাদের সামরিক বাহিনী এবং প্রয়োজনীয় রসদ সৌদি আরবে পাঠাবে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সৌদি রাজধানী রিয়াদে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের কৌশলগত-রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে জোটের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়।

গত ৭ আগস্ট মক্কায় জোটের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ। সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান জানান, সৌদি আরবের ওপর একের পর এক হামলার প্রেক্ষাপটে জোটের সম্মিলিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা কার্যকর করার বিষয়ে উভয় দেশ একমত হয়েছে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এই সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক সংকটগুলোর শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন। জোটের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই পদক্ষেপ তিন দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করবে।

জোটের প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ হিসেবে প্রথম মহাসচিব নিয়োগের বিষয়টিও বৈঠকে নিশ্চিত করা হয়েছে। পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নওমান মাহমুদকে তিন বছরের জন্য এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সদস্য দেশগুলোর নিজস্ব জাতীয় আইন এবং অনুমোদিত নিয়ম অনুযায়ী এই সামরিক মোতায়েন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তবে ঠিক কতজন সেনা পাঠানো হবে বা কী পরিমাণ সরঞ্জাম যুক্ত হবে, সে বিষয়ে সরকারিভাবে নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

ইয়েমেনের হুতিদের পক্ষ থেকে বারবার হামলার ঘটনার পর রিয়াদ এই সামরিক সহায়তা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা করছে। এই জোটের কার্যক্রম এখন আর শুধু চুক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি সামরিক সক্রিয়তার দিকে মোড় নিয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা সমীকরণে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে।