পচেফস্ট্রুমে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ আনঅফিশিয়াল ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। বৃষ্টিতে প্রথম দুই ম্যাচ পণ্ড হওয়ার পর, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে কোনো বাধা ছাড়াই খেলা সম্পন্ন হয়। এই জয়ে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিয়েছে তাওহিদ হৃদয়ের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।
টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরু থেকেই স্বাগতিক ব্যাটারদের চাপে রাখেন বোলাররা। মুশফিক হাসানের হাত ধরে প্রথম সাফল্য আসে। এরপর আলিস আল ইসলাম জুবাইর হামজার ৩১ রানের ইনিংস থামিয়ে দেন। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে একপর্যায়ে ৮৯ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে বসে দক্ষিণ আফ্রিকা। যদিও মারকিউস অ্যাকারম্যানের ৫৪ এবং ইমরান মানেকের ৪৩ রানের সুবাদে দলটি ১৮২ রান পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়। ৪৭.২ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে তারা এই সংগ্রহ দাঁড় করায়।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে বিধ্বংসী ছিলেন রিশাদ হোসেন। তিনি ১০ ওভারে ৪৫ রান খরচায় ৪টি উইকেট শিকার করেন। তাঁকে দারুণ সঙ্গ দেন আলিস আল ইসলাম, যিনি ১০ ওভারে মাত্র ৩৫ রান দিয়ে ৩টি উইকেট তুলে নেন। এছাড়া সাইফউদ্দিন, সাইফ হাসান ও মুশফিক হাসান প্রত্যেকে একটি করে উইকেট পান।
১৮৩ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সাইফ হাসান ও নাঈম শেখের উদ্বোধনী জুটি বাংলাদেশকে বড় জয়ের ভিত গড়ে দেয়। তারা দুজনে মিলে ৯৩ রান যোগ করেন। সাইফ ৫৩ বলে ৬১ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলে আউট হন। এরপর পারভেজ হোসেন ইমন ১৬ বলে ১৭ এবং নুরুল হাসান সোহান ২২ বলে ১৬ রান করেন।
অন্য প্রান্তে নাঈম শেখ দায়িত্বশীল ব্যাটিং চালিয়ে যান। তিনি ৭৭ বলে ৬০ রান করে জয়ের পথ সুগম করেন। শেষ দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারালেও জয়ের পথে কোনো বাধা আসেনি। শেষ পর্যন্ত ৩৩ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৩ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ১৭ ওভার হাতে রেখেই এই দাপুটে জয় তুলে নেয় সফরকারীরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বল হাতে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের রিশাদ হোসেন ও আলিস আল ইসলামের ঘূর্ণিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে ১৮২ রানে গুটিয়ে যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ১০ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁকে দারুণ সঙ্গ দেওয়া আলিস ১০ ওভারে মাত্র ৩৫ রান খরচায় শিকার করেন ৩ উইকেট। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাই তিন ম্যাচের সিরিজে ফল পেতে শেষ ওয়ানডেটির দিকেই তাকিয়ে ছিল সবাই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রিভালদো মুনসামিকে ফিরিয়ে শুরুটা করেন মুশফিক হাসান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মারকিউস অ্যাকারম্যান কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু তাঁকেও বেশিক্ষণ থাকতে দেন নি রিশাদ হোসেন।