দীর্ঘ সময় ধরে অনিয়মিত লোডশেডিংয়ে গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়ার পাশাপাশি ক্ষোভ ও অসন্তোষও তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ স্থাপনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঠেকাতে নীলফামারীর ডোমারে বিদ্যুৎ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ও রাতের বেলা পুলিশি টহল চাওয়া হয়েছে।
এ জন্য গত রোববার (৯ আগস্ট) ডোমার থানায় লিখিত আবেদন করেন নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডোমার জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এ কে এম আলাউদ্দিন। বুধবার (১২ আগস্ট) আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আবেদনে বলা হয়, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে ঘাটতি থাকায় বরাদ্দ অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। কিন্তু প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রাহকদের দুর্ভোগ বাড়ছে। এতে তাদের মধ্যে অসন্তোষও তীব্র হচ্ছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিভাগের স্থাপনা কিংবা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলা বা অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সরকারি স্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
চিঠিতে ডোমার জোনাল অফিস, আন্ধারুর মোড় এলাকায় অবস্থিত উপকেন্দ্র-১ এবং চিলাহাটী অভিযোগ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাতের বেলা নিয়মিত পুলিশ টহলের ব্যবস্থা করার অনুরোধ করা হয়।
ডোমার থানার ওসি মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে আবেদন পাওয়ার পরই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ডোমার বিদ্যুৎ অফিসে সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে রাতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুলিশের টহলও বাড়ানো হয়েছে।