Skip to main content

Brick Lane News

যুক্তরাজ্যের প্রবাসীরা কেন হজে যান বাংলাদেশ হয়ে, ঝুঁকি কোথায়

যুক্তরাজ্যের প্রবাসীরা কেন হজে যান বাংলাদেশ হয়ে, ঝুঁকি কোথায়

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি ও বাংলাদেশি- ব্রিটিশ দ্বৈত নাগরিকদের একটি বড় অংশ প্রতি বছর হজ পালনের জন্য বাংলাদেশি প্যাকেজে নিবন্ধন করেন। এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ শুধু খরচ নয়। সৌদি আরবের অফিসিয়াল Nusuk Hajj প্ল্যাটফর্ম থেকে নিজেদের চাহিদামতো হজে যাওয়ার অনুমোদন না পাওয়া।

সাশ্রয়ের চেয়েও বড় কারণ: নুসুক-এর অনিশ্চয়তা

যুক্তরাজ্যের অনেক প্রবাসী পরপর কয়েক বছর আবেদন করেও পরিবারের সবাইকে নিয়ে হজে যেতে পারেননি, কারণ নুসুক পরিবারের সব সদস্যের জন্য ভিসা দেয়নি।

এখানে ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার প্রশ্নও জড়িত- ইসলামি বিধান অনুযায়ী নারীদের জন্য হজে মাহরাম সঙ্গে থাকা বাধ্যতামূলক। নুসুক যদি পরিবারের সব সদস্যকে একসঙ্গে অনুমোদন না দেয়, তাহলে অনেকের জন্য হজে যাওয়াই কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে।
এ ছাড়া হজের মতো শারীরিক ও মানসিকভাবে কঠিন একটি ইবাদতে অনেকে একা যেতে ভয় পান, শারীরিকভাবে অক্ষম বোধ করেন, অথবা একা থাকার কারণে মানসিক নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।Expatriate Communities

আরেকটি বড় সমস্যা হলো অনিশ্চয়তা।নুসুক কখন অনুমোদন দেবে বা আদৌ দেবে কি না, তার কোনো নিশ্চয়তা থাকে না। এই অনিশ্চয়তার কারণেই অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি হজ ব্যবস্থাপনার দিকে ঝোঁকেন, যেখানে পরিবারসহ একসঙ্গে, পরিচিত কাফেলার সঙ্গে এবং তুলনামূলক নিশ্চিত সময়ে হজে যাওয়ার সুযোগ থাকে।

এসব কারণের পাশাপাশি আর্থিক হিসাবও একেবারে অগ্রাহ্য করা যায় না। যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশ হয়ে সৌদি আরব যাওয়ার সিদ্ধান্তে যুক্ত হয় একটি সম্পূর্ণ বাড়তি আন্তর্জাতিক যাত্রা। যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশ, এরপর বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব। এবং হজ শেষে একই পথ উল্টো দিকে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় বাংলাদেশে অবস্থানের খরচ, স্থানীয় যাতায়াত, খাবার, অতিরিক্ত লাগেজ ও কখনো হোটেল ব্যয়ও।Islam

পাশাপাশি কর্মস্থল থেকে দীর্ঘ ছুটি নেওয়ার বাস্তবতাও যুক্তরাজ্যে কর্মরত প্রবাসীদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করে। তবে মূল কারণ নুসুকের অনুমোদন জটিলতা। অনন্যা সমস্যা ও পারিবারিক-ধর্মীয় বাস্তবতা বিষয়টি সৃষ্ট মূলত নুসুক থেকেই।অর্থাৎ যুক্তরাজ্য এর বিকল্প পথে হজে যাওয়ার চেষ্টা থেকে।