নোয়াখালীতে পৃথক ঘটনায় পুকুরে ডুবে এক দিনে তিন শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। জেলার সুবর্ণচরে দুই বোন ও সদরের সোনাপুর এলাকায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সুবর্ণচরের চরক্লার্ক ইউনিয়নের ফকির মার্কেট-সংলগ্ন মহি উদ্দিনের বাড়িতে ও দুপুর দেড়টার দিকে সদর উপজেলার সোনাপুর কাটপট্টিতে এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া শিশুরা হলো চরক্লার্ক ইউনিয়নের ফকির মার্কেট-সংলগ্ন মহি উদ্দিনের মেয়ে শারমিন আক্তার (৪) ও জেসমিন আক্তার (৩) ও পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের আব্দুস সাত্তারের মেয়ে মেহেরুমা হাবিবা অর্চি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই বোন নিজেদের বাড়ির পুকুরে গোসল করতে নামে। এ সময় ছোট বোন তলিয়ে যেতে থাকলে তাকে বাঁচাতে বড় বোন পানিতে ঝাঁপ দেয়। দুজনেই নিখোঁজ হয়। তাদেরকে দীর্ঘ সময় না দেখে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পুকুরের এক পাশ থেকে শারমিন আক্তারকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। কিছুক্ষণ পর জেসমিন আক্তারকেও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় সুবর্ণচর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই বোনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে দুপুরে দেড়টার দিকে নোয়াখালীর সদরের সোনাপুর এলাকায় পুকুরে পড়ে মেহেরুমা হাবিবা (অর্চি) নামের তিন বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
অর্চির বাবা আব্দুস সাত্তার জানান, পরিবারের সদস্যদের অগোচরে অসাবধানতাবশত পুকুরে পড়ে যাওয়া শিশুটিকে উদ্ধার করে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, পরিবারের কারও আপত্তি না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে তাকে কেউ অবগত করেননি। তিনি খোঁজ নিয়ে জানাবেন।





