ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পর এবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও (জবি) প্রকাশ্যে কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় গেটের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় গেটের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচিতে ব্যবহৃত পোস্টারগুলোয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের ছবি দেখা যায়।
কর্মসূচি থেকে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে সারা দেশে ছাত্রলীগের শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারাদেশ ও তাদের বিরুদ্ধে করা মামলার প্রত্যাহার, কোটা আন্দোলনের নামে দলীয় নিয়োগ বন্ধ, ছাত্রলীগের রাজবন্দিদের শ্যোন অ্যারেস্ট বন্ধ করে নিঃশর্ত মুক্তি এবং নারী ও শিশু হত্যা, ধর্ষণ, মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতন ও অনলাইনে নারী হেনস্তার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক লাঞ্ছনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় এনে শিক্ষকদের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া এবং হামের টিকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ইউনূসের ফাঁসির দাবি জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান নেতৃত্ব দেন।
এ বিষয়ে আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ বলেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা ছিল বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। সেই চেতনাকে ধারণ করেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ৬ দফা মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী, শিক্ষার্থী ও স্বাধীনতার পক্ষের শিক্ষকরা হামলা-মামলার শিকার হয়ে শিক্ষা ও স্বাভাবিক কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।