Skip to main content

Brick Lane News

সংকটের মুখে রাষ্ট্র ও সমাজ বাংলাদেশ কোন দিকে যাচ্ছে?

সংকটের মুখে রাষ্ট্র ও সমাজ বাংলাদেশ কোন দিকে যাচ্ছে?

লেখক: দিলু নাসের | ব্রিকলেন নিউজ

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রায় দেড় বছর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের অবসান ঘটিয়ে দেশে গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা, আইনের শাসন এবং অর্থনৈতিক স্বস্তি ফিরে আসবে–এমন প্রত্যাশা ছিল সাধারণ মানুষের। মানুষ চেয়েছিল নিরাপদ জীবন, দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান এবং একটি সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশ।

কিন্তু নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতার খবর সামনে আসছে, তাতে প্রশ্ন উঠছে–বাংলাদেশ আসলে কোন পথে এগোচ্ছে? অর্থনৈতিক চাপ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আক্রমণ, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক, সব মিলিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে মানুষের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

একটি সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। কিন্তু মানুষ অন্তত দেখতে চায় যে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, অপরাধের বিচার হচ্ছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখছে এবং সরকার মানুষের দৈনন্দিন দুর্ভোগ কমাতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

অর্থনৈতিক দুরবস্থা: মানুষের স্বস্তি কোথায়?

দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের অন্যতম প্রধান উদ্বেগ। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যয়, পরিবহন খরচ এবং জীবনযাত্রার অন্যান্য ব্যয় মানুষের আয় ও সঞ্চয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমলেও পণ্যের দাম আগের অবস্থায় ফিরে আসে না। ফলে আয় সীমিত থাকা পরিবারগুলোর পক্ষে সংসার চালানো ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দেশে মূল্যস্ফীতি ৮.৩৪ শতাংশে পৌঁছেছে বলে প্রকাশিত পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিও পরিবহন, পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহের ব্যয় বাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত সাধারণ ক্রেতার ওপরই পড়ে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ, দিনমজুর, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং নির্দিষ্ট আয়ের পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি চাপে থাকে।

অর্থনীতির উন্নতি শুধু মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি কিংবা সরকারি হিসাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। একজন সাধারণ মানুষ বাজার থেকে প্রয়োজনীয় খাবার কিনতে পারছেন কি না, একজন শ্রমিকের আয় দিয়ে পরিবারের ব্যয় মেটানো সম্ভব হচ্ছে কি না, তরুণেরা কাজ পাচ্ছেন কি না–এসবও অর্থনৈতিক সুস্থতার গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি।

আইনশৃঙ্খলার অবনতি: মানুষ কি নিরাপদ?

রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব নাগরিকের জীবন, সম্পদ ও মর্যাদার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। মানুষ যদি নিজের বাড়িতে, রাস্তায় কিংবা কর্মস্থলে নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করে, তাহলে রাষ্ট্রের অন্যান্য সাফল্যও প্রশ্নের মুখে পড়ে। দেশে হত্যা, ধর্ষণ, अपहरण, নিখোঁজ ব্যক্তি, শিশুদের নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন স্থানে মরদেহ উদ্ধারের খবর মানুষকে উদ্বিগ্ন করছে।

বিশেষ করে শিশু নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা এবং নিখোঁজ হওয়ার পর কোনো কোনো শিশুর মরদেহ উদ্ধারের খবর গভীর উদ্বেগের জন্ম দেয়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশু নিখোঁজ হওয়ার সাধারণ ডায়েরি বা জিডির তথ্য উঠে এসেছে, এর মধ্যে প্রতিবেদনের সময় ২ হাজার ৩৮ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছিল।

কোনো রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক অবস্থান কিংবা ক্ষমতার প্রভাব যেন অপরাধের বিচারকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে। নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অনুগ্রহ নয়; এটি রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব।

রবীন্দ্রনাথের দেয়ালচিত্রে কালিমা: জাতীয় পরিচয়ের ওপর আঘাত

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেয়ালচিত্রে কালিমা লেপন ও তা মুছে ফেলার চেষ্টার ঘটনা দেশজুড়ে সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা, অসহিষ্ণুতা এবং জাতীয় পরিচয়ের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। ২০২৬ সালের ১০ অক্টোবরের এই ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেওয়ার খবরও প্রকাশিত হয়।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু বিশ্বকবি নন, তাঁর রচিত ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। যে কবির গান বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তাঁর প্রতিকৃতিতে কালিমা লেপন কিংবা তাঁর স্মৃতি মুছে ফেলার চেষ্টা তাই নিছক একটি দেয়ালচিত্রের ওপর আঘাত নয়–এটি দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতিও অসম্মান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

মতভিন্নতা থাকতে পারে, ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক হতে পারে, কিন্তু সেই অজুহাতে বাঙালির সাহিত্য-সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বকে অপমান করার অধিকার কারও নেই। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য, দর্শন কিংবা রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করতে হলে তা যুক্তি, আলোচনা ও লেখনীর মাধ্যমে করা যায়।

সম্প্রীতির বাংলাদেশ কি হারিয়ে যাচ্ছে?

বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি। বহু ধর্ম, মত ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এই ভূখণ্ডে পাশাপাশি বসবাস করে আসছেন। নানা মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের যে ঐতিহ্য গড়ে উঠেছে, তা দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, উপাসনালয়ে আক্রমণ, বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর কিংবা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের অভিযোগ সামনে এলে সেই ঐতিহ্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ২৫৭টি ঘটনার কথা জানিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

রাজনৈতিক দমন-পীড়ন ও প্রতিহিংসার আশঙ্কা

রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রায়ই আগের শাসক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘটনা ঘটে। অপরাধের অভিযোগ থাকলে তদন্ত হবে, প্রমাণ পাওয়া গেলে বিচার হবে, এটাই আইনের শাসনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে অপমান, মারধর, হুমকি কিংবা বিচারবহির্ভূত শাস্তির মুখে ঠেলে দেওয়া হলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

আইন সবার জন্য সমান–এই নীতি বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত না হলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চক্র চলতেই থাকবে। আজ এক দলের নেতা-কর্মী নিপীড়নের শিকার হলে, কাল অন্য দলের মানুষের ক্ষেত্রেও একই আচরণ ঘটতে পারে।

আন্তর্জাতিক চাপ: একদিকে ভারত, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্কও দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেশী ভারত এবং বৈশ্বিক শক্তি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা বাংলাদেশের জন্য জরুরি।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক শুধু সীমান্ত বা রাজনৈতিক যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাণিজ্য, পানি বণ্টন, সীমান্ত নিরাপত্তা, যোগাযোগ, জ্বালানি এবং মানুষের যাতায়াতসহ নানা ক্ষেত্রে দুই দেশের স্বার্থ জড়িত। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। বাণিজ্যনীতি, শুল্ক, শ্রম অধিকার, মানবাধিকার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয় দুই দেশের সম্পর্ককে প্রভাবিত করে।

দিলু নাসের সংকটের মুখে রাষ্ট্র ও সমাজ বাংলাদেশ কোন দিকে যাচ্ছে?
সংকটের মুখে রাষ্ট্র ও সমাজ বাংলাদেশ কোন দিকে যাচ্ছে? __ দিলু নাসের 

দেশ কি গৃহযুদ্ধের দিকে যাচ্ছে?

দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক সংঘাত, সহিংসতা, সামাজিক বিভাজন, সাংস্কৃতিক অসহিষ্ণুতা এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিলে মানুষের মনে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন, বাংলাদেশ কি আরও গভীর সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?

তবে বিচ্ছিন্ন সহিংস ঘটনা বা রাজনৈতিক উত্তেজনার ভিত্তিতে বাংলাদেশ গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে গেছে–এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো দায়িত্বশীল হবে না। গৃহযুদ্ধ একটি গুরুতর ও নির্দিষ্ট অর্থবাহী পরিস্থিতি। সেটি নির্ধারণের জন্য সংগঠিত সশস্ত্র সংঘাত, তার ব্যাপ্তি, স্থায়িত্ব এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক প্রমাণ বিবেচনা করতে হয়।

তাহলে বাংলাদেশ কোন পথে? মৌলিক প্রশ্নসমূহ

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই দেশকে অস্বীকার করা নয়। বরং দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই নাগরিকেরা জানতে চান–সমস্যাগুলোর সমাধান কোথায়? আজ মানুষের সামনে কয়েকটি মৌলিক প্রশ্ন রয়েছে:

দ্রব্যমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সরকার কী কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে?
হত্যা, ধর্ষণ, অপহরন ও নিখোঁজের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হচ্ছে কি?
শিশুদের নিরাপত্তা রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা কোথায়?
ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে?
রবীন্দ্রনাথের দেয়ালচিত্রে কালিমা লেপনের মতো সাংস্কৃতিক অসহিষ্ণুতার ঘটনার তদন্ত ও বিচার কতদূর এগোবে?
রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে হয়রানি করা বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বন্ধ হবে কীভাবে?
প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচারব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা কী?

বাংলাদেশ কি সত্যিই দেউলিয়াত্বের দিকে যাচ্ছে?

দেশের বর্তমান দুরবস্থা দেখে সাধারণ মানুষের মনে একটি প্রশ্ন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে–বাংলাদেশ কি দেউলিয়াত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামাজিক বিভাজন–সব মিলিয়ে মানুষের মনে ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। প্রশ্নটি শুধু অর্থনৈতিক দেউলিয়াত্বের নয়, প্রশ্ন হলো, রাষ্ট্র কি তার নাগরিকদের প্রত্যাশা পূরণে ক্রমেই ব্যর্থ হয়ে পড়ছে?

অবশ্য একটি দেশকে অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হওয়ার পথে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, রাজস্ব আয় ও সামগ্রিক আর্থিক পরিস্থিতির নির্ভরযোগ্য তথ্য বিশ্লেষণ করতে হবে। শুধু জনজীবনের দুর্ভোগ কিংবা রাজনৈতিক অস্থিরতা দিয়ে অর্থনৈতিক দেউলিয়াত্ব প্রমাণ করা যায় না।

একটি রাষ্ট্রের সংকট শুধু অর্থনীতির হিসাব দিয়ে মাপা যায় না। মানুষের নিরাপত্তা, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, রাজনৈতিক সহনশীলতা, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা এবং সামাজিক সম্প্রীতিও রাষ্ট্রের শক্তির ভিত্তি।