Skip to main content

Brick Lane News

শাহজালাল বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিকের আড়ালে ১,৬৫৫টি দামি মোবাইল জব্দ

শাহজালাল বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিকের আড়ালে ১,৬৫৫টি দামি মোবাইল জব্দ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিকের চালানের আড়ালে বিশেষ কৌশলে পাচারকালে ১ হাজার ৬৫৫টি দামি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের ইমপোর্ট কার্গো এলাকায় ঢাকা কাস্টমস, কাস্টমস গোয়েন্দা, এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) এবং সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে।

তদন্তকারী সূত্রে জানা গেছে, এফএফ কার্গো নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই চালানটি বাংলাদেশে আনা হয়। এয়ারওয়ে বিল নম্বর ৮২৮-৫৬৭৮২৪১২ সম্বলিত এই চালানটি গত ৩১ আগস্ট হংকং এয়ার কার্গোর RH-6651 ফ্লাইটে হংকং থেকে ঢাকায় পৌঁছায়। আমদানিকারকের পক্ষ থেকে চালানটিতে গার্মেন্টস ফেব্রিক রয়েছে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে কার্গো এলাকায় পরীক্ষার সময় কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে ফেব্রিকের রোলগুলো খুলে তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশির একপর্যায়ে ফেব্রিক রোলের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গণনা শেষে মোট ১ হাজার ৬৫৫টি দামি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। ঢাকা কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘোষিত পণ্যের আড়ালে অবৈধভাবে এসব মোবাইল ফোন আনার চেষ্টা করা হয়েছিল।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৈধভাবে মোবাইল আমদানির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শুল্ক ও কর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই চালানের মাধ্যমে বড় ধরনের শুল্ক ফাঁকির পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে জব্দ করা মোবাইলগুলোর ব্র্যান্ড, মডেল ও বাজারমূল্য যাচাইয়ের কাজ চলছে। একই সঙ্গে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা এবং এর আগেও একই কৌশলে কোনো চালান খালাস করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ঘটনায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা, চালানটির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং মোবাইল ফোনগুলো কোথায় নেওয়ার কথা ছিল—এসব বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে।