Skip to main content

Brick Lane News

বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করলেন তথ্য উপদেষ্টা

বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করলেন তথ্য উপদেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে নতুন বিমান কেনার বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কাজের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, দীর্ঘ সময় ধরে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ পরিচালনার ফলে আমাদের কারিগরি ও সহায়ক জনবল আগে থেকেই প্রশিক্ষিত ও প্রস্তুত রয়েছে। এই বাস্তবতার কারণেই বোয়িংয়ের প্রতি আমাদের কিছুটা বাড়তি আগ্রহ বা ঝোঁক থাকাটা স্বাভাবিক।

বোয়িং থেকে বিপুল সংখ্যক উড়োজাহাজ কেনার ফলে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকার যে অত্যন্ত নাজুক একটি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দায়িত্ব নিয়েছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে বোয়িং কেনার ক্ষেত্রে পেমেন্ট বা অর্থ পরিশোধের বিষয়টি দীর্ঘ সময় ধরে ধাপে ধাপে সম্পন্ন হবে। এছাড়া উড়োজাহাজগুলো হাতে পাওয়ার প্রক্রিয়াটিও বেশ দীর্ঘমেয়াদী।

ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, অনেকের মনে হতে পারে যে এখনই বড় অঙ্কের টাকা পরিশোধ করতে হবে, কিন্তু বিষয়টি মোটেও তেমন নয়। একটি রাষ্ট্র তার প্রয়োজন অনুযায়ী পরিচালিত হয় এবং সংকট থাকলেও কিছু মৌলিক চাহিদা মেটানোর প্রয়োজন পড়ে। তাই নতুন করে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের কোনো তাৎক্ষণিক নেতিবাচক প্রভাব অর্থনীতির ওপর পড়বে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, ‘যেহেতু দীর্ঘদিন থেকে আমরা বোয়িং অপারেট করি, বোয়িংয়ের যে পুরো সাপোর্টিং স্টাফ, সেটা আমাদের অনেকটা প্রস্তুত আছে, প্রশিক্ষিত আছে; সেই কারণেই আমাদের বোয়িংয়ের প্রতি কিছুটা বেশি চুজ করার প্রবণতা আছে।’।