বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ইঙ্গিত দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ক্রিস্টেনসেন। কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছান। দিনের শুরুতে তিনি পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আল সিয়ামের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের দপ্তরে পৃথক বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো উঠে এসেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক হ্রাসের সুযোগ নিয়ে আলোচনা চলছে। এ প্রেক্ষাপটে সোমবার বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি বাণিজ্যচুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এতে করে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের প্রবেশাধিকার বাড়ার পাশাপাশি নতুন বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রেস উইংয়ের তথ্যমতে, ওয়াশিংটন সফরকালে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার বাংলাদেশের ওপর আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্ক কমানোর সম্ভাবনা নিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করতে সম্মত হন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে সহায়তা করতে একটি উদ্ভাবনী সমাধানের বিষয়ে উভয়পক্ষ একমত হয়েছে।





