Brick Lane News

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাজ্য, ৪ হাজার পুলিশ মোতায়েন

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাজ্য, ৪ হাজার পুলিশ মোতায়েন

অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাজ্য। শনিবার (১৬ মে) লন্ডনে কট্টর ডানপন্থিদের এই বিক্ষোভে অংশ নেন লাখো মানুষ। একইদিন নাকবা দিবসে সমাবেশ করেন ফিলিস্তিনপন্থিরা। এই দুই কর্মসূচি ঘিরে দেশটির ইতিহাসে রেকর্ড চার হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।

স্থানীয় সময় শনিবার মধ্য লন্ডনের রাস্তায় লাখো মানুষের ঢল নামে। হাতে ব্রিটিশ ও ইংলিশ পতাকা। যুক্তরাজ্যের কট্টর-ডানপন্থি রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে পরিচিত টমি রবিনসনের নেতৃত্বে ‘ইউনাইট দ্য কিংডম’ নামের র‍্যালিতে যোগ দেন বহু মানুষ।

কর্মসূচিটি হোলবোর্ন থেকে শুরু হয়ে পার্লামেন্ট স্কয়ারে গিয়ে শেষ হয়। এসময় বিক্ষোভকারীরা অভিবাসন বন্ধ এবং ইউরোপীয় মানবাধিকার কনভেনশন থেকে বেরিয়ে আসার দাবি জানান। সমাবেশে অংশ নেয়া অনেককে ‘মেক ইংল্যান্ড গ্রেট এগেইন’ লেখা লাল টুপি পরতে দেখা যায়। কেউ কেউ আবার বহন করেন কাঠের তৈরি ক্রুশ।

এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘সবার আগে অভিবাসীবাহী নৌকা আসা বন্ধ করতে হবে। আর ব্রিটেনের জনগণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

অন্য একজন বলেন, ‘আমি চাই ইংল্যান্ড আবার ইংল্যান্ডের মতো হয়ে উঠুক। রাজনীতিবিদরা বর্তমান ও ভবিষ্যতে শুধু আমাদের কথাই ভাবুক।’

একই দিনে লন্ডনে আরেকটি সমাবেশ করেন ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভকারীরা। নাকবা দিবস উপলক্ষে পালিত এই সমাবেশে ফিলিস্তিনের পতাকা ও উগ্র-ডানপন্থি-বিরোধী প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন অংশগ্রহণকারীরা। ফিলিস্তিনপন্থি স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘গণহত্যা একটি ঘৃণ্য বিষয়। আমাদের পুরো সমাজটাই দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। ম্যান্ডেলসন, কিয়ার স্টারমারের মতো ব্যক্তিরা এই ভয়ংকর দুর্নীতির মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আছে।’

এদিকে একইদিনে দুটি পরস্পরবিরোধী মিছিল ঘিরে শহরজুড়ে বাড়ে উত্তেজনা। নিরাপত্তা নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জে পড়ে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। মোতায়েন করা হয় প্রায় চার হাজার পুলিশ সদস্য।

নিরাপত্তা জোরদারে বাইরের অঞ্চল থেকেও আনা হয় অতিরিক্ত পুলিশ, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় নিরাপত্তা অভিযান বলছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।