সড়কে চাঁদাবাজিকে ‘সমঝোতার ভিত্তিতে লেনদেন’ হিসেবে উল্লেখ করে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এমন মন্তব্যে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এ প্রতিক্রিয়া জানায় এবং দলীয় শুদ্ধীকরণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানায়।
এর আগে সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নিজ দপ্তরে পরিবহন খাতের চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে বলেন, মালিক ও শ্রমিক সমিতি নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করে কল্যাণে ব্যয় করে থাকে, যা ‘অলিখিত বিধির’ মতো। তিনি এটিকে বাধ্যতামূলক চাঁদা হিসেবে দেখেন না বলেও উল্লেখ করেন।
মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এটি সরকারের ঘোষিত দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের পরিপন্থী। তাঁর মতে, পরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে ইতিবাচক ব্যাখ্যা দিয়ে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা অনৈতিক ও যোগসাজশমূলক দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়ার শামিল। এতে পরিবহনসংশ্লিষ্ট পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন।
তিনি আরও বলেন, মালিক-শ্রমিক কল্যাণের অজুহাতে এ ধরনের অর্থ সংগ্রহকে বৈধতা দিলে অন্যান্য সেবা ও খাতেও একই যুক্তি প্রয়োগের ঝুঁকি তৈরি হবে, যা দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।





