বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার জন্য জাতিসংঘে আবেদন করেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও আসেনি। জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে বৈঠক করে বাংলাদেশের আবেদন মূল্যায়ন করবে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, বাংলাদেশ এই বিষয়ে ‘ক্রাইসিস বাটন’ ব্যবহার করেছে। তিনি শনিবার রাতে বৈঠকে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন।
সিডিপি-এর ইএমএম উপকমিটি ইতিমধ্যেই পাইপলাইনে থাকা দেশগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে। পাইপলাইনে থাকা তিনটি দেশ হলো বাংলাদেশ, নেপাল ও লাওস। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নতুন বিষয় হলো উত্তরণ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন, যা একজন সচিবের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে।
সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী গত বুধবার জাতিসংঘের সিডিপি চেয়ারম্যানের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর অনুরোধ করেছেন। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ছিল ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর।
বাংলাদেশ ২০১৮ ও ২০২১ সালের ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নে তিনটি সূচক মাথাপিছু মোট জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ঝুঁকিপূর্ণতা সূচক উত্তীর্ণ হয়েছে। করোনা মহামারির কারণে উত্তরণ দুই বছর পিছিয়ে গিয়েছিল।
এবারের আবেদন মূল্যায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ কতটা স্থগিত হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হবে, তা সিডিপি এর বৈঠকে নির্ধারণ করা হবে।





