Skip to main content

Brick Lane News

বাংলাদেশিদের শেনজেন ভিসা নীতিতে বড় বদল, আবেদন চলবে তবে ফয়সালা হবে সুইডেনে

বাংলাদেশিদের শেনজেন ভিসা নীতিতে বড় বদল, আবেদন চলবে তবে ফয়সালা হবে সুইডেনে

ব্রিকলেন নিউজ, লন্ডন: বাংলাদেশ থেকে সুইডেনসহ শেনজেন অঞ্চলের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনে এখন থেকে সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সিকে দেওয়া হয়েছে। তবে আবেদনকারীদের আগের নিয়মেই ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে ভিসার আবেদন জমা দিতে হবে।

সোমবার, ২ নভেম্বর এক বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকার সুইডিশ দূতাবাস জানিয়েছে, শেনজেন ভিসা, আমন্ত্রণপত্র, আপিল কিংবা ব্যক্তিগত আবেদনসংক্রান্ত বিষয়ে দূতাবাস থেকে আর কোনো তথ্য, নির্দেশনা বা সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে না। এসব বিষয়ে আবেদনকারী ও স্পন্সরদের সরাসরি সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১ অক্টোবর সুইডিশ দূতাবাস জানায়, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ থেকে বাংলাদেশে জমা দেওয়া শেনজেন ভিসার আবেদনগুলোর সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সির কাছে হস্তান্তর করা হবে। নতুন ব্যবস্থায় দূতাবাসের পরিবর্তে সুইডেন থেকেই আবেদন যাচাই ও ভিসা অনুমোদন কিংবা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নতুন ব্যবস্থায় বাংলাদেশি আবেদনকারীদের ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার স্থান পরিবর্তন হয়নি। আবেদনকারীদের আগের মতোই ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, পাসপোর্ট ও বায়োমেট্রিক তথ্য জমা দিতে হবে।

ঢাকার বনানীতে ভিএফএস গ্লোবালের সুইডেন ভিসা আবেদন কেন্দ্রে আবেদন জমা নেওয়া এবং পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম চলবে। আবেদন গ্রহণ ও বায়োমেট্রিক সংগ্রহের দায়িত্ব ভিএফএস গ্লোবালের থাকলেও আবেদন যাচাই এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সি।

সুইডেনের পাশাপাশি ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ ও স্লোভেনিয়ার শেনজেন ভিসা আবেদনও নির্দিষ্ট শর্তে সুইডিশ কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিত্বের আওতায় বাংলাদেশ থেকে জমা দেওয়া যায়।

সুইডিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শেনজেন ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণে সাধারণত ১৫ ক্যালেন্ডার দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে এই সময়সীমা ৪৫ দিন পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সি আবেদন পাওয়ার পর থেকে প্রক্রিয়াকরণের সময় গণনা করা হবে।

আবেদনকারীদের ভ্রমণের পরিকল্পিত তারিখের সর্বোচ্চ ছয় মাস আগে আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র যথাযথভাবে জমা দিলে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব এড়ানো সম্ভব।

নতুন ব্যবস্থায় ভিসা আবেদনকারীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দূতাবাসের পরিবর্তে সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করতে হবে। আবেদনসংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন, ব্যক্তিগত মামলার তথ্য, আমন্ত্রণপত্র কিংবা আপিলের বিষয়ে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সহায়তা পাওয়ার সুযোগ আর থাকছে না।

তাই আবেদনকারীদের সুইডিশ দূতাবাসের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা, ভিএফএস গ্লোবালের আবেদন প্রক্রিয়া এবং সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সির তথ্য অনুসরণ করে ভিসার কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।