Skip to main content

Brick Lane News

আগামী তিন বছরে কানাডায় পাড়ি জমাচ্ছে এগারো লাখের বেশি নতুন অভিবাসী

আগামী তিন বছরে কানাডায় পাড়ি জমাচ্ছে এগারো লাখের বেশি নতুন অভিবাসী

৫ নভেম্বর প্রকাশিত কানাডার ২০২৬ সালের ফেডারেল বাজেটের সঙ্গে নতুন ২০২৭–২০২৯ অভিবাসন পরিকল্পনার তথ্য প্রকাশ করা হয়। সরকারের এই পরিকল্পনায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শ্রমবাজারের চাহিদা এবং দক্ষ কর্মীদের আকৃষ্ট করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কারা অগ্রাধিকার পাবেন?

ব্রিকলেন নিউজ, লন্ডন: নতুন অভিবাসন পরিকল্পনাটিতে অর্থনৈতিক অভিবাসনের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দক্ষ কর্মী এবং কানাডায় জনবল সংকটে থাকা পেশার আবেদনকারীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা খাত
  • শিক্ষা খাত
  • নির্মাণশিল্প
  • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ডিজিটাল প্রযুক্তি
  • জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাত
  • দক্ষ ও অভিজ্ঞ পেশাজীবী

কানাডায় অবস্থানরত অস্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য নতুন সুযোগ

নতুন পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ কানাডায় অবস্থানরত সর্বোচ্চ ২ লাখ অস্থায়ী বাসিন্দাকে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ।

এর মধ্যে ১ লাখ কর্মীকে Express Entry এবং Provincial Nominee Program (PNP)-এর মাধ্যমে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট যোগ্যতা ও সরকারি নির্বাচনী প্রক্রিয়া পূরণ করতে হবে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য কী বার্তা?

কানাডা আগামী ২০২৭, ২০২৮ ও ২০২৯ সালে প্রতি বছর ১ লাখ ৫০ হাজার নতুন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে। পাশাপাশি অস্থায়ী বিদেশি কর্মী গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা থাকবে বছরে ২ লাখ ২০ হাজার।

তবে স্থায়ী অভিবাসনের সংখ্যা বাড়ানোর পরিবর্তে কানাডা বর্তমানে নিয়ন্ত্রিত ও দক্ষতাভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থার দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

বাংলাদেশিদের জন্য কী সম্ভাবনা?

কানাডার নতুন অভিবাসন পরিকল্পনা বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী, পেশাজীবী এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, নির্মাণ ও প্রযুক্তি খাতে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তিদের জন্য সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে ১১ লাখ ৪০ হাজারের লক্ষ্যমাত্রা কোনো নির্দিষ্ট দেশের জন্য বরাদ্দ নয়। বাংলাদেশিদের জন্য আলাদা কোনো কোটা ঘোষণা করা হয়নি। প্রত্যেক আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট অভিবাসন কর্মসূচির যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।