ওই গ্রাম্য চিকিৎসকের নাম আল-আমিন। তিনি বারিপোতা গ্রামের বাসিন্দা ও নাভারণের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় তাকে কোপায় দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আল-আমিন বারিপোতা গ্রামে একটি চিকিৎসা চেম্বার পরিচালনা করতেন এবং এলাকায় পরিচিত মুখ ছিলেন। প্রতিদিনের ন্যায় চেম্বার বন্ধ করে এদিন তারাবির নামাজা শেষে বাড়িতে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে গাতিপাড়া হাইস্কুলের সামনে ‘তারের বেড়া’ নামক স্থানে পৌঁছালে আগেই ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়।
এসময় হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত হন। খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে শার্শা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
এ বিষয়ে শার্শা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ-আলম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। এর পেছনের কারণ উদ্ঘাটনে আমরা বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছি। এখনো সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। তবে পূর্ব বিরোধ বা ব্যক্তিগত শত্রুতার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।





