Skip to main content

Brick Lane News

লম্বা চুলের জেরে লাল কার্ড পেলেন দুই প্রতিপক্ষ

লম্বা চুলের জেরে লাল কার্ড পেলেন দুই প্রতিপক্ষ

অ্যাঙ্গুইলার ৩৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড অ্যাডেন স্কিপিওর ড্রেডলক চুল এতটাই লম্বা যে, মাঠে নামার সময় কোমরে আলাদা ব্যান্ড দিয়ে তা বেঁধে রাখতে হয়। গোড়ালি পর্যন্ত দীর্ঘ এই চুলই শেষ পর্যন্ত কনকাকাফ নেশনস লিগের ম্যাচে প্রতিপক্ষের জন্য বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনে। ম্যাচের ৬৮ মিনিট পর্যন্ত অ্যাঙ্গুইলা ০-৫ গোলে পিছিয়ে থাকার পর ৬৯তম মিনিটে স্কিপিও বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন। অ্যাডেন স্কিপিওর চুল দেখলে চোখ আটকে যাওয়াই স্বাভাবিক। গোড়ালির কাছাকাছি নেমে আসা লম্বা ড্রেডলক। কনকাকাফ নেশনস লিগে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার বিপক্ষে ম্যাচে ৬৯ মিনিটে মাঠে নামেন স্কিপিও। অ্যাঙ্গুইলার অবস্থানও এই ম্যাচের কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরে।

মাঠের লড়াইয়ে স্কিপিও নামার মাত্র তিন মিনিট পর ৭২তম মিনিটে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার কিওন গ্রিন অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ করে স্কিপিওর চুল ধরে টান দেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রেফারি উইকেলসন বনেট তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করেন। এরপর ম্যাচের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে (৯০+৩ মিনিট) একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটান শালন নাইট। তিনিও স্কিপিওর চুল ধরে জোরালো টান দিলে রেফারি তাকেও লাল কার্ড দেখান। এরপর ম্যাচের ফল বদলানোর সুযোগ ছিল না বললেই চলে। ঘটনাটিকে গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে দেখেন রেফারি উইকেলসন বনেট। ম্যাচের ঘটনাপঞ্জিতেও গ্রিনের লাল কার্ড ৭২ মিনিটে এবং নাইটের ৯০+৩ মিনিটে দেখানো হয়েছে।

ম্যাচের এই দুই ঘটনায় অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা শেষ পর্যন্ত নয়জন খেলোয়াড় নিয়ে খেলা শেষ করে। তবে স্কিপিওর এই লম্বা চুলের ‘প্রভাব’ ম্যাচের চূড়ান্ত ফলাফলে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। প্রথমার্ধেই ক্রিস্টোফার ডগলাসের জোড়া গোল এবং ডিওন পেরেইরা, ডি’আন্দ্রে বিশপ ও কায়ন্তে জর্জের একটি করে গোলে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা ৫-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে। উল্লেখ্য, অ্যাঙ্গুইলা বর্তমানে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের ২১০তম অবস্থানে রয়েছে, যা পুরো তালিকার একেবারে নিচের দিকে সান মারিনোর ঠিক উপরে।