Brick Lane News

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার ঘোষণা মুসলিম লীগ সভাপতির

প্রকাশিত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । ১০:৫৪ পিএম

বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহসিন রশীদ রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন। তার দাবি, ইউনূসের কর্মকাণ্ড কেবল সংবিধান লঙ্ঘনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা রাষ্ট্রদ্রোহের পর্যায়ে পড়ে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে তিনি নিজেই আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার ইউটিউব চ্যানেল ‘মানচিত্র’-এ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মোহসিন রশীদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হওয়ার পর রাষ্ট্রপতিই একমাত্র সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি ছিলেন। তার সঙ্গে যথাযথ যোগাযোগ না রাখা, গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের আগে অবহিত না করা এবং সাংবিধানিক শিষ্টাচার উপেক্ষা করা গুরুতর লঙ্ঘন। এটি কেবল সংবিধান লঙ্ঘন নয়, ‘রাষ্ট্রদ্রোহের পর্যায়ে’ পড়ে।

তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতিকে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মানসিক চাপে রাখা হয়েছে এবং বঙ্গভবনে পাঠানো নথিতে সই নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতি সহযোগিতা না করলে রাষ্ট্রে অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রতীক—তাকে যথাযথ সম্মান না দেখানো রাষ্ট্রের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার শামিল বলে উল্লেখ করেন মোহসিন রশীদ।

এসব ঘটনার সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সম্পৃক্ততা বা নীরব সমর্থন ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি বা কমিশন গঠনের দাবি জানান মোহসিন রশীদ। তিনি ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধেও তদন্ত চান। রাষ্ট্র কোনো খেলার বিষয় নয়; রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।

সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি আদালতে গেছেন এবং রায়ের সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করেছেন। রায় হাতে পেলে তিনি রিভিউ করবেন। ভবিষ্যতে যাতে কোনো অবৈধ বা অসাংবিধানিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার না আসে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

Related Posts

সর্বশেষ খবর

অন্যান্য ক্যাটাগরি