নেপালের পোখারায় অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের কাছে ৪-০ গোলে হেরে বাংলাদেশ রানার্সআপ হলো। যদিও দলগতভাবে শিরোপা ধরে রাখা সম্ভব হয়নি, ব্যক্তিগত কৃতিত্বে উজ্জ্বল ছিলেন বাংলাদেশের তরুণ ফরোয়ার্ড আলপি আক্তার।
চার দেশের এই টুর্নামেন্টে আলপি সেরা গোলদাতা হওয়ার পাশাপাশি ‘সেরা খেলোয়াড়’ পুরস্কারও জিতেছেন। ফাইনালে গোল না করলেও লিগ পর্বে তিনি বাংলাদেশের ১৮ গোলের মধ্যে ৭টি করেছেন, যার মধ্যে ভুটান ও নেপালের বিপক্ষে দুটি হ্যাটট্রিকও আছে। বিশেষ করে নেপালের বিপক্ষে তার হ্যাটট্রিকই বাংলাদেশকে ফাইনালে তুলে দেয়।
বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার মাঠে আলপিকে সেরা খেলোয়াড় হিসেবে সম্মাননা দেন। চমৎকার বল নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণে নেতৃত্ব প্রদর্শন এবং ম্যাচে প্রভাবশালী খেলার কারণে বিচারকরা আলপিকে নির্বাচন করেছেন। সাফ সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনও মঞ্চে উঠে আলপিকে অভিনন্দন জানান।
আলপির এই কীর্তি ২০২৪ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ আসরের সাগরিকার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। ঘরোয়া লিগে রাজশাহী স্টারসের জার্সিতে ৮ ম্যাচে ২৫ গোল এবং ৩ হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে এগিয়ে আছেন।
টুর্নামেন্টে সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার পেয়েছেন ভারতের মুন্নি, এবং ফেয়ার প্লে ট্রফিও ভারতের দখলে গেছে।





