প্রাক-নির্বাচনী জরিপে দেখা গেছে, দেশের ভোটারদের মধ্যে ৪৮ শতাংশ মানুষ অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতায় আস্থা রাখেন, ১১.৩ শতাংশের আস্থা নেই, আর ৩৩.৭ শতাংশ জানেন না সরকার নিরপেক্ষ কিনা। ৭ শতাংশ মানুষ এ বিষয়ে কোনো মত দেননি। অর্থাৎ আস্থা নেই প্রায় ৫২ শতাংশ মানুষের।
এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে মঙ্গলবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘কতটা জেনে-বুঝে নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ?’ শীর্ষক জরিপের ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে।
জরিপটি পরিচালনা করেছে বেসরকারি সংস্থা ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেটিকস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইআইডি) ও তাদের যুব প্ল্যাটফর্ম ইয়ুথ ফর পলিসি (ওয়াইএফপি)। দেশের আট বিভাগের ৪০টি জেলার ৯,৮৯২ জন মানুষ এ জরিপে অংশগ্রহণ করেছেন।
ভোটের দিনের নিরাপত্তা নিয়ে ৮৬.৪ শতাংশ ভোটার ভোটকেন্দ্রে নিরাপদ বোধ করছেন। একই সঙ্গে ৮২.৫ শতাংশ মনে করেন, তাদের এলাকায় ধর্মীয় বা জাতিগত সংখ্যালঘুরা ভয় ছাড়া ভোট দিতে পারবেন। তবে ৫৫ শতাংশ মানুষ মনে করছেন, নির্বাচনের দিনে সমস্যা বা নিরাপত্তাহীনতা মানুষকে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে।
জুলাই সনদ ও গণভোট সম্পর্কে জানেন ৩৭.২ শতাংশ মানুষ। ‘হ্যাঁ’ জিতলে বা ‘না’ জিতলে কী হবে তা অনেকেই স্পষ্ট জানেন না। মৌলিক অধিকার নিয়ে প্রস্তাবিত পরিবর্তন সম্পর্কে জানেন ৪৩ শতাংশ, আর জানেন না ৫৫.৩ শতাংশ।
ব্যালটের ভাষা পড়া ও বোঝার সক্ষমতা প্রাক-নির্বাচনী অন্তর্ভুক্তির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ৭২.৪ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, তারা ব্যালটের লেখা সহজে পড়তে ও বুঝতে পারেন। তবে ৩৫ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে এ হার ৫৭ শতাংশে নেমে আসে, এবং যারা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পাননি, তাদের মধ্যে তা মাত্র ২৬.৬ শতাংশ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়াইএফপির প্রধান সানজিদা রহমান, আইআইডির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম পরিচালক মারিয়াম তাসনিম প্রমুখ।





